ক্রিয়েটিভ স্কিল কোর্স "অডিও অ্যান্ড ভিডিও এডিটিং"
অডিও অ্যান্ড ভিডিও এডিটিং (Audio & Video Editing) একটি ক্রিয়েটিভ স্কিল, কোন ভিডিও কে গল্প এবং অনুভূতিতে রূপান্তরিত করার পদ্ধতি। সহজ কথায়, ভিডিও এডিটিং হচ্ছে গল্পের প্রয়োজনে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ সম্পাদন করে পূর্ণাঙ্গ গল্পে পরিণত করা। আমরা মুভিতে যে দৃশ্য গুলো দেখি সেগুলো আসলে ভিডিও এডিটিং এর পরের ফাইনাল কাট। ভিডিও এডিট করার স্কিল থাকলে আমরা কর্পোরেট জব থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সিং সব পর্যায়েই প্রায় কাজ করতে পারবো।
আজকাল ইউটিউব অনেক
পপুলার একটি অনলাইন ইনকাম সোর্স। আপনার ভিডিও এডিটিং স্কিল কাজে লাগিয়ে সুন্দর সুন্দর
ভিডিও তৈরি করে অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম করতে পারবেন। ভিডিও এডিটিং একটি এভারগ্রীন স্কিল
সেক্টর। এখানে কাজ শিখে আপনাকে বসে থাকতে হবে না। প্রতি মাসে
ভিডিও এডিটিং করে অনেক ভালো মানের একটি ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।
অডিও অ্যান্ড ভিডিও এডিটিং এর সুবিধা
আপনি একজন প্রফেশনাল ভিডিও এডিটর হতে পারলে কাজ নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না। কারন দেশের
ডিজিটাল মিডিয়ায় (টিভি চ্যানেল, টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান,
এনজিওতে) দক্ষ ভিডিও এডিটরের চাহিদা দিন দিন বাড়ছেই। এছাড়া আপনি দেশের বাইরে অনেক
অনেক টিভি চ্যানেল আছে যেখানে কাজ করতে পারবেন। প্রোডাকশন বিজনেসে দক্ষ ভিডিও এডিটরের
প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে। নাটক বা মুভি এডিটর হিসেবে কখনই আপনার কাজের অভাব
হবে না। আপনি একজন ট্রেইনার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। অন্যদিকে মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট
খুলে সার্ভিস সেল দিতে পারবেন। এছাড়া আপনি অনলাইন মার্কেটপ্লেসে সার্ভিস সেল দিতে
পারবেন। ফাইভারে ভিডিও এডিটিং নিয়ে অনেক গিগ পাবেন। সে গিগ গুলোর সেল দেখলেই আপনি
বুজতে পারবেন আসলে এই সেক্টর কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া আপওয়ার্কে প্রতিদিন অনেক
জব পোস্ট হয় ভিডিও এডিটিং নিয়ে। আপনি সেখানে কাজে বিড করে অনেক ভালো একটা এমাউন্ট
জেনারেট করতে পারবেন।
অডিও অ্যান্ড
ভিডিও এডিটিং কোর্সের বৈশিষ্ট্য সমূহ:
অডিও অ্যান্ড ভিডিও
এডিটিং (Audio & Video Editing) সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।
সিলেবাস ভিত্তিক
ক্লাস গ্রহণ ও সাপ্তাহিক পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
মাস্টার ট্রেইনার
দ্বারা পরিচালিত ও ২৪ ঘন্টা অনলাইন সাপোর্ট।
অনলাইন ও অফলাইনে
দুই ধরনের ক্লাসের সুযোগ রয়েছে।
প্রতিটি ক্লাসে কম্পিউটার
নিয়ে প্র্যাকটিস করার সুযোগ।
সার্টিফিকেট দেওয়া
হয়।
ফ্রিল্যান্সিং ও
আউটসোর্সিং করা যায়।
ইন্টার্ণশিপ করার
সুযোগ পাওয়া যায়।
নিজেদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট
হয়।
কম্পিউটার ও ওয়াইফাই
সুবিধা।

No comments